বিকাশে ভুল নম্বরে টাকা পাঠালে ফেরত পাওয়ার উপায় ২০২৬


বিকাশে ভুল নাম্বারে টাকা পাঠালে ফেরত পাওয়ার উপায়। বিকাশে ভুল নম্বরে টাকা চলে গেছে? ঘাবড়াবেন না মাত্র কয়েকটি সহজ ধাপে দ্রুত টাকা ফেরত পাওয়ার উপায়। অফিসিয়াল নিয়ম ও ভুল এড়ানোর কৌশল জানুন এখনই।

বিকাশে ভুল নম্বরে টাকা পাঠালে ফেরত পাওয়ার উপায় ২০২৬

ছোট্ট একটা বাস্তব গল্প বলি। আমার এক পরিচিত মানুষের সাথে ঠিক এমনটাই হয়েছিল কিছুদিন আগে। রাত তখন প্রায় সাড়ে এগারোটা, এক ভাইকে তাড়াহুড়ায় করে নম্বর সিলেক্ট করে পাঁচ হাজার টাকা সেন্ড মানি করে দিলেন। পরের মুহূর্তেই বুঝলেন এটা যাকে পাঠানোর কথা ছিল, সে নয়। স্ক্রিনে সাকসেসফুল লেখাটা দেখে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে গিয়েছিল তার। আসলে এই পরিস্থিতিটা অস্বাভাবিক কিছু না প্রতিদিনই  অসংখ্য মানুষ বিকাশে ভুল নম্বরে টাকা পাঠিয়ে ফেলেন। আজকের এই লেখায় আমি একদম গোছানোভাবে দেখাবো, বিকাশে ভুল নম্বরে টাকা পাঠালে ফেরত পাওয়ার উপায়। 

পেজ সূচিপত্রঃ বিকাশে ভুল নম্বরে টাকা পাঠালে ফেরত পাওয়ার উপায় ২০২৬

কেন বিকাশে ভুল নম্বরে টাকা যাওয়ার ঘটনা এত বেশি ঘটে

সত্যি বলতে, এর পেছনে কারণ খুব জটিল কিছু না। স্মার্টফোনের কনট্যাক্ট লিস্ট থেকে নাম বাছাই করার সময়, রাতের বেলা চোখ ঝাপসা অবস্থায় হাতে নম্বর টাইপ করার সময়, কিংবা একসাথে কয়েকজনকে টাকা পাঠানোর ব্যস্ততার মধ্যে একটা মাত্র সংখ্যা এদিক-সেদিক হয়ে গেলেই টাকা চলে যায় সম্পূর্ণ অচেনা একজনের অ্যাকাউন্টে। বড় অঙ্কের লেনদেনে তাড়াহুড়ো, নেটওয়ার্ক সমস্যায় বারবার রিট্রাই করা এসব পরিস্থিতিতেই বিকাশে ভুল নম্বরে টাকা যাওয়ার হার সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। বিকাশে ভুল নাম্বারে টাকা পাঠালে  ফেরত পাওয়া কঠিন হয়ে ওঠেনা।


একটা কথা মাথায় রাখবেন এখানে সময়টাই আসল খেলোয়াড়। প্রাপক টাকা তুলে ফেলার আগেই আপনি ঠিকঠাক ব্যবস্থা নিতে পারলে সমস্যাটা তুলনামূলক সহজেই মিটে যায়। আপনার যখন ভুল করে অন্যের হাতে টাকাটা চলে যাবে আপনি তাকে ফোন না দিয়ে আপনি অফিশিয়ালি চেষ্টা করুন এবং থানায় যায় জিটি করুন।

প্রাপকের নম্বরে বিকাশ অ্যাকাউন্টই খোলা নেই

এটাই আসলে সবচেয়ে স্বস্তির পরিস্থিতি। যে নম্বরে ভুল করে টাকা গেছে, সেখানে যদি বিকাশ অ্যাকাউন্ট নিবন্ধিতই না থাকে, তাহলে টাকাটা এখনো কার্যত আপনারই হাতে শুধু সঠিক অপশনটা খুঁজে বের করতে হবে। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন

  • ১. বিকাশ অ্যাপ খুলে "সেন্ড মানি" অপশনে যান।
  •  ২. লেনদেনের তালিকায় সংশ্লিষ্ট ট্রানজেকশনটি খুঁজুন এর পাশে সাধারণত "নন-বিকাশ" লেখা দেখা যায়। 
  • ৩. লেনদেনে ট্যাপ করলে সেখানে ,ক্যানসেল, বা ,বাতিল, অপশন দেখতে পাবেন।
  •  ৪. এতে ট্যাপ করে নিশ্চিত করলেই টাকা তাৎক্ষণিকভাবে নিজের ব্যালেন্সে ফিরে আসবে।

আরো পড়ুনঃ ১৬ টি সহজ উপায়ে তাড়াতাড়ি ওঠার অভ্যাস গড়বেন

বিকাশের নিজস্ব অফিসিয়াল নীতিমালা অনুযায়ী। প্রাপক যদি ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বিকাশ অ্যাকাউন্ট না খোলেন এবং টাকাটা গ্রহণ না করেন, তাহলে সেই টাকা পরবর্তী তিন কর্মদিবসের মধ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই আপনার অ্যাকাউন্টে ফেরত চলে আসে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় প্রেরক ও প্রাপক দুজনেই এসএমএস নোটিফিকেশন পান, যাতে দুইপক্ষই লেনদেনের অবস্থা সম্পর্কে সবসময় অবগত থাকতে পারেন। 


আরেকটা মজার নিয়ম হলো একজন প্রাপক নিজের অ্যাকাউন্ট খোলার আগে একইসাথে একের বেশি সেন্ড মানি রিকোয়েস্ট গ্রহণ করতে পারেন না। ফলে আপনার লেনদেনটা আলাদাভাবেই ট্র্যাক করা যায়।তাই আমি বলবো লেনদেন করার পরপরই অ্যাপ বন্ধ না করে সাথে সাথে ট্রানজেকশন হিস্টোরিটা একবার চেক করে ফেলুন। কারণ এই ক্যানসেল অপশনটা প্রাপক অ্যাকাউন্ট খোলার আগ পর্যন্তই সক্রিয় থাকে।

প্রাপকের নম্বরে বিকাশ অ্যাকাউন্ট আগে থেকেই সচল

প্রাপকের  নাম্বার এর বিকাশ একাউন্ট আগে থেকে সচল। বিকাশে ভুল নাম্বারে টাকা পাঠালে ফেরত পাওয়া খুব কঠিন হয়ে যায় এখানেই আসল মাথাব্যথা শুরু হয় নম্বরটিতে যদি ইতিমধ্যে সক্রিয় বিকাশ অ্যাকাউন্ট থাকে, তাহলে অ্যাপ থেকে নিজে নিজে টাকা বাতিল করার কোনো উপায় নেই। এক্ষেত্রে নিচের অফিশিয়াল প্রক্রিয়াটা মেনে চলতে হবে।

১ প্রথম কাজ থানায় গিয়ে জিডি করুন

সময় নষ্ট না করে সবার আগে নিকটস্থ থানায় গিয়ে একটা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে ফেলুন। জিডিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করবেন

  • লেনদেনের ট্রানজেকশন আইডি
  • লেনদেনের তারিখ ও সময়
  • পাঠানো টাকার সঠিক পরিমাণ
  • যে নম্বরে ভুলবশত টাকা গেছে সেই নম্বর
  • নিজের বিকাশ নম্বর ও এনআইডি তথ্য

ট্রানজেকশন আইডি বের করতে চাইলে বিকাশ অ্যাপে লেনদেন বা স্টেটমেন্ট" অপশনে গিয়ে সংশ্লিষ্ট লেনদেনে ট্যাপ করুন সেখানেই আইডি নম্বরসহ সব বিস্তারিত দেখা যাবে। লেনদেনের পর পাওয়া কনফার্মেশন এসএমএস থেকেও এটা মিলিয়ে নিতে পারেন।

২ দ্বিতীয় কাজ: বিকাশ হেল্পলাইনে অভিযোগ জানান

জিডি হয়ে গেলে যত দ্রুত সম্ভব বিকাশের অফিসিয়াল হেল্পলাইন ১৬২৪৭ নম্বরে কল করুন। অথবা বিকাশ অ্যাপ/ওয়েবসাইটের লাইভ চ্যাট ব্যবহার করে বিষয়টা জানিয়ে দিন। কল করার আগে হাতের কাছে প্রস্তুত রাখুন

  • জিডি নম্বর
  • ট্রানজেকশন আইডি
  • নিজের এনআইডি নম্বর
  • ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ

৩ তৃতীয় কাজ: প্রয়োজনে সরাসরি কাস্টমার কেয়ারে যান

ভুল নাম্বারের টাকা পাঠালে ফেরত পেতে যদি সমস্যা হয়। শুধু ফোনে সমাধান না হলে জিডির কপি, নিজের এনআইডি কার্ড এবং লেনদেনের প্রমাণ (এসএমএস বা স্ক্রিনশট) নিয়ে সরাসরি নিকটস্থ বিকাশ কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে চলে যান। বড় শহরের প্রধান পয়েন্টগুলোতে সাধারণত তুলনামূলক দ্রুত সাড়া পাওয়া যায়।

প্রাপককে সরাসরি ফোন করা কি আসলেই ঠিক হবে

আবেগের বশে অনেকেই ভুল নম্বরে টাকা টাকা পাঠালে ফেরত পাওয়ার জন্য সাথে সাথেই প্রাপককে সরাসরি ফোন করে বলে ভাই আপনার নাম্বারে আমার ভুল করে টাকা গেছে যদি টাকাটা একটু ফেরত দেওয়া যেত ভাই খুব উপকার হতো। এই মানুষটি বুঝে যায় যে তার একাউন্টে টাকা ঢুকেছে অন্যের। কিন্তু বাস্তবে এটা মোটেও নিরাপদ নাও হতে পারে, কারণ

  • বিষয়টা জানার পরপরই কোনো অসৎ প্রাপক দ্রুত টাকা ক্যাশ আউট করে ফেলতে পারেন
  • টাকা অন্য একটা অ্যাকাউন্টে সরিয়ে ফেলতে পারেন, যাতে পরে ট্রেস করা কঠিন হয়ে যায়
  • সরাসরি কথা বলাটা মাঝেমধ্যে পাল্টা হেনস্তার মুখেও ফেলতে পারে

তাই আমার পরামর্শ থাকবে আগে জিডি ও বিকাশের কাছে অভিযোগ লক করে অ্যাকাউন্টটা হোল্ড করানো । তারপরই দরকার হলে যোগাযোগের চেষ্টা করা।

টাকা আসলে কীভাবে ফেরত আসে বিকাশের নীতিমালা বুঝে নিন

একটা বিষয় পরিষ্কার বুঝে নেওয়া দরকার। আপনার যদি বিকাশে ভুল নাম্বারে টাকা পাঠালে বা ভুল করে টাকা গেলে। বিকাশ কর্তৃপক্ষ নিজ উদ্যোগে কারো অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে অন্য কাউকে ফেরত দেওয়ার আইনি এখতিয়ার রাখে না। এজন্য প্রাপকের সম্মতি লাগবেই। আমি আপনাদেরকে বলে দিচ্ছি কিভাবে আপনার কিভাবে আপনার একাউন্টে টাকা ফেরত আসে প্রক্রিয়াটা সাধারণত এভাবে চলে।

বিকাশে ভুল নম্বরে টাকা পাঠালে ফেরত পাওয়ার উপায় ২০২৬

  • ১. অভিযোগ পাওয়ার পর কাস্টমার কেয়ার থেকে প্রাপকের সাথে যোগাযোগ করা হয়। 
  • ২. প্রাপক ভুল লেনদেনের বিষয়টা স্বীকার করে টাকা ফেরত দিতে সম্মত হলে, নির্ধারিত অফিশিয়াল প্রক্রিয়ায় টাকা আপনার অ্যাকাউন্টে ফেরত করা হয়। 
  • ৩. প্রাপক অস্বীকৃতি জানালে বা জালিয়াতির আশ্রয় নিলে বিষয়টা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে পারে এক্ষেত্রে জিডি এবং প্রয়োজনে আদালতের সহায়তা নেওয়ার সুযোগ থাকে।

বিকাশ ছাড়াও নগদ ও রকেটেও একই কাঠামো প্রযোজ্য

এই পুরো পদ্ধতিটা কিন্তু কেবল বিকাশেই সীমাবদ্ধ নয়। নগদ ও রকেট ব্যবহারকারীদের জন্যও মূলত একই ধরনের নিয়ম কার্যকর। নম্বরে অ্যাকাউন্ট না থাকলে অ্যাপ থেকে বাতিলের সুযোগ, আর অ্যাকাউন্ট থাকলে জিডি করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের হেল্পলাইনে অভিযোগ জানানো এই মূল কাঠামোটা প্রায় সব মোবাইল ব্যাংকিং সেবাতেই একইরকম। তাই বিকাশে ভুল নম্বরে টাকা পাঠালে ফেরত পাওয়ার উপায় জানা থাকলে, নগদ বা রকেটে একই সমস্যা হলেও আপনি ঘাবড়াবেন না।

নিজের অ্যাকাউন্ট ও লেনদেন দ্রুত যেভাবে যাচাই করবেন

নিজের একাউন্ট ও লেনদেন দ্রুত যেভাবে যাচাই করবেন। যদি আপনার মনে সন্দেহ জাগে বিকাশে আপনি ভুল করে টাকা পাঠিয়েছেন অন্য নম্বরে।আপনি তাড়াহুড়া বা ভুল করে আপনার একাউন্ট থেকে টাকা যেতেই পারে কিন্তু আপনার করণীয় কি। ভুল লেনদেনের পর প্রথম কাজ হলো নিজের অ্যাকাউন্টের অবস্থাটা নিশ্চিত হওয়া। এর জন্য করতে পারেন।

বিকাশে ভুল নম্বরে টাকা পাঠালে ফেরত পাওয়ার উপায় ২০২৬

ডায়াল করুন *২৪৭#  এই ইউএসএসডি কোডের মাধ্যমে ব্যালেন্স চেক ও মিনি স্টেটমেন্টসহ প্রাথমিক কিছু সেবা পাওয়া যায়বিকাশ অ্যাপে লগইন করে। স্টেটমেন্ট, অংশে গিয়ে সাম্প্রতিক লেনদেনের পূর্ণ তালিকা দেখুন আপনার সন্দেহ হলে সরাসরি হেল্পলাইন ১৬২৪৭-এ কল করে লেনদেনের বিস্তারিত নিশ্চিত করুন।

ভবিষ্যতে বিকাশে ভুল নম্বরে টাকা যাওয়া এড়াতে যা করবেন

ভবিষ্যতে বিকাশে ভুল নাম্বারে টাকা যাওয়ার কিভাবে সাবধানতা অবলম্বন করবেন। সত্যি বলতে, প্রতিরোধই সবচেয়ে ভালো সমাধান। কিছু সহজ অভ্যাস তৈরি করে ফেললেই এই ঝুঁকিটা অনেকটা কমিয়ে ফেলা যায়।

টাকা পাঠানোর আগে নম্বরটা অন্তত দুই-তিনবার মিলিয়ে দেখুন

  1. পিন দেওয়ার ঠিক আগে স্ক্রিনে দেখানো প্রাপকের নামটা ভালোভাবে যাচাই করুন এটাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সুরক্ষা।
  2. বড় অঙ্কের টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রথমে অল্প কিছু টাকা পাঠিয়ে নম্বরটা নিশ্চিত হয়ে নিন, তারপর মূল অঙ্কটা পাঠান।
  3. নিয়মিত ব্যবহৃত নম্বরগুলো কনট্যাক্টে সঠিক নামে সেভ করে রাখুন, যাতে ভুল কনট্যাক্ট বাছাই হওয়ার সম্ভাবনা কমে ।
  4. রাতে বা তাড়াহুড়ার সময় বড় লেনদেন যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন, করলেও দ্বিগুণ সতর্কতা রাখুন

আরো পড়ুনঃ ঘর গোছানোর সহজ ১৫ টি টিপস

একটু সচেতন হলেই কিন্তু বিকাশে ভুল নম্বরে টাকা পাঠানোর মতো ঝামেলা থেকে পুরোপুরি বেঁচে যাওয়া সম্ভব। আপনি তাড়াহুড়া করে টাকা দিতে গিয়ে অনেকেই আমরা ভুল করে ফেলি আমরা যে কোন পেমেন্ট করতে গেলে এবং সেন্ড মানি বিকাশ এজেন্টে টাকা উঠাতে গেলে যেন আমরা একটু আগে থেকে সতেচন মূলক থাকি তাহলে আমরা একটু নিরাপদ হই।

এজেন্ট নম্বরে ভুলে টাকা গেলে পরিস্থিতি একটু ভিন্ন হয়

মনে করেন এজেন নম্বরে ভুলে টাকা গেলে পরিস্থিতি একটু ভিন্ন হতে পারে। অনেকে আছেন যারা পার্সোনাল নম্বর ভেবে ভুলবশত কোনো বিকাশ এজেন্ট নম্বরে টাকা পাঠিয়ে ফেলেন। এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য বুঝে নেওয়া দরকার, এজেন্ট অ্যাকাউন্টগুলো ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে নিবন্ধিত হওয়ায় সেগুলোর লেনদেনের ধরন কিছুটা আলাদাভাবে ট্র্যাক করা হয়।

এক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য জিডি করে হেল্পলাইনে জানাতে হবে। তবে এজেন্টের ব্যবসায়িক পরিচয় থাকার কারণে অনেক সময় বিষয়টা তুলনামূলক দ্রুত সমাধান হয়ে যায়, কারণ এজেন্টরা সাধারণত বিকাশের সাথে নিয়মিত লেনদেনে থাকেন এবং কর্তৃপক্ষের নজরদারিতেও থাকেন বেশি। তাই লেনদেনের সময় নম্বরটা এজেন্ট নাকি পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট, সেটাও একবার স্ক্রিনে দেখে নেওয়া ভালো অভ্যাস।


আমার সেই পরিচিত মানুষটার গল্পে ফিরে আসি। তিনি ভাগ্যক্রমে সাথে সাথে অ্যাপ চেক করেছিলেন এবং দেখেছিলেন নম্বরটাতে বিকাশ অ্যাকাউন্ট নেই। "ক্যানসেল" বাটনে চাপ দিতেই কিছুক্ষণের মধ্যে টাকাটা ফিরে এসেছিল তার ব্যালেন্সে। কিন্তু সবার ভাগ্য এত ভালো নাও হতে পারে তাই উপরের প্রতিটা ধাপ ভালোভাবে জেনে রাখা এবং প্রয়োজনে সেভ করে রাখাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।

বিকাশে ভুল নাম্বারে টাকা ফেরত পাঠকের শেষ কথা

বিকাশে ভুল নম্বরে টাকা চলে যাওয়াটা মুহূর্তের জন্য দুশ্চিন্তার হলেও, ঘাবড়ে না গিয়ে সঠিক ক্রমে পদক্ষেপ নিলে টাকা ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা যথেষ্ট থেকে যায়। মনে রাখবেন তিনটা মূল বিষয় দ্রুততা, সঠিক তথ্যসহ জিডি, আর বিকাশের অফিশিয়াল চ্যানেলে অভিযোগ। প্রাপককে নিজে থেকে ফোন করে চাপ দেওয়ার চেয়ে অফিশিয়াল প্রক্রিয়া অনুসরণ করাই সবচেয়ে নিরাপদ ও কার্যকর পথ। 


আসসালামু আলাইকুম প্রিয় পাঠকরা। আমি বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে আমার কিছু কথা বলতেছি আমি এরকম করে অনেকবারই ভুল নাম্বারে টাকা পাঠাইছি। হয়তোবা আমার কপালটা ভালো ছিল। যে আমাকে টাকা তারা ফেরত দিয়েছে আপনাদের বেলা এটা নাও হতে পারে আমি চাই আপনাদের বলা আপনারা আরো সচেতন হন ।


আপনাদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় পাঠকরা আমার এই আর্টিকেলটি করার জন্য। আমার এই আর্টিকেটে যদি আপনাদের কোন উপকারে আসে তাহলে আর্টিকেলটি আপনার প্রিয় বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন। আবারো ধন্যবাদ জানাই  ওয়ান ক্লিকের পক্ষ থেকে। তুই আর্টিকেলটি নিয়ে যদি আপনার কোন মতামত থেকে থাকে তাহলে কমেন্ট বক্সে কমেন্টে জানাবেন আমরা সাথে সাথে রিপ্লে দেয়ার চেষ্টা করব।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ওয়ান ক্লিকই নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url