প্রতিদিন সকালে তাড়াতাড়ি ওঠার অভ্যাস গড়ার ১৭টি সহজ উপায়
প্রতিদিন সকালে তাড়াতাড়ি ওঠার অভ্যাস গড়তে চান।সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠার ইচ্ছা অনেকেরই থাকে জেনে নিন ঘুমের রুটিন ঠিক করা। মোবাইল ব্যবহার কমানো, অ্যালার্মের সঠিক ব্যবহার এবং ভোরে ওঠার ১৬টি সহজ ও বাস্তবসম্মত উপায়।
কেউ দিনের শুরুতে পড়াশোনা করতে চান। কেউ অফিস বা ব্যবসার কাজ আগে শেষ করতে চান, আবার কেউ নিজের জন্য কিছুটা নিরিবিলি সময় বের করতে চান। কিন্তু বাস্তবে রাত জাগার অভ্যাস, মোবাইল ফোন ব্যবহার । অনিয়মিত ঘুম এবং অ্যালার্ম বন্ধ করে আবার ঘুমিয়ে পড়ার কারণে সকালে সময়মতো ওঠা কঠিন হয়ে যায়। আপনি যদি প্রতিদিন রাত ১টা বা ২টার দিকে ঘুমান, তাহলে ভোর ৫টায় ওঠার চেষ্টা করলে শরীর ও মন দুটিই ক্লান্ত হয়ে পড়বে। তাই প্রতিদিন সকালে তাড়াতাড়ি ওঠার অভ্যাস গড়বেন ।
পেজ সূচিপত্রঃ প্রতিদিন সকালে তাড়াতাড়ি ওঠার অভ্যাস গড়বেন ১৬টি সহজ উপায়
- আগে নির্দিষ্ট ওঠার সময় ঠিক করুন
- প্রতিদিন একই সময়ে ঘুম থেকে উঠুন
- ধীরে ধীরে ঘুমানোর সময় এগিয়ে আনুন
- ঘুমের আগে মোবাইল ব্যবহার কমান
- পর্যাপ্ত ঘুমের সময় নিশ্চিত করুন
- অ্যালার্ম বিছানা থেকে দূরে রাখুন
- ঘুম থেকে ওঠার পর প্রথম কাজটি আগে ঠিক করুন
- সকালে প্রাকৃতিক আলো গ্রহণ করুন
- রাতে কফি ও ভারী খাবার কমান
- শোবার আগে একটি শান্ত রুটিন তৈরি করুন
- দিনে দীর্ঘ সময় ঘুমাবেন না
- শোবার ঘর শান্ত অন্ধকার ও আরামদায়ক রাখুন
- ঘুম থেকে ওঠার পর সঙ্গে সঙ্গে বিছানা ছাড়ুন
- সকালে করার মতো নির্দিষ্ট একটি কাজ রাখুন
- ঘুমানোর আগে পরের দিনের প্রস্তুতি নিন
- একদিন ব্যর্থ হলে অভ্যাস ছেড়ে দেবেন না
- শরীরের সংকেতকে গুরুত্ব দিন
- প্রতিদিন সকালে তাড়াতাড়ি ওঠার নিয়ে পাঠকের শেষ কথা
আগে নির্দিষ্ট ওঠার সময় ঠিক করুন
আগে নির্দিষ্ট ওঠার সময় ঠিক করুন । প্রতিদিন সকালে তাড়াতাড়ি ওঠার অভ্যাস গড়ার প্রথম ধাপ হলো একটি বাস্তবসম্মত সময় নির্বাচন করা। আপনি যদি বর্তমানে সকাল ৯টায় ওঠেন, তাহলে হঠাৎ ভোর ৫টায় ওঠার লক্ষ্য ঠিক করবেন না। এতে কয়েক দিন পর ক্লান্ত হয়ে পুরোনো অভ্যাসে ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
প্রথমে এমন একটি সময় নির্ধারণ করুন। যেটি আপনার বর্তমান সময়ের চেয়ে ৩০ মিনিট বা ১ ঘণ্টা আগে। যেমন, এখন যদি সকাল ৮টায় ওঠেন, তাহলে প্রথম সপ্তাহে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে ওঠার লক্ষ্য রাখতে পারেন। শরীর এই সময়ের সঙ্গে মানিয়ে গেলে ধীরে ধীরে আরও আগে ওঠার চেষ্টা করুন নিচে কিছু বাস্তব উদাহরণ দিলাম।
বাস্তব উদাহরণ
- প্রথম সপ্তাহঃ সকাল ৭টা ৩০ মিনিট।
- দ্বিতীয় সপ্তাহঃ সকাল ৭টা।
- তৃতীয় সপ্তাহঃ সকাল ৬টা ৩০ মিনিট।
- চতুর্থ সপ্তাহঃ সকাল ৬টা।
এভাবে লক্ষ্য নির্ধারণ করলে শরীরের ঘুমের চক্র হঠাৎ বদলে যায় না। ধীরে ধীরে পরিবর্তন করাই দীর্ঘস্থায়ী অভ্যাস তৈরির ভালো পদ্ধতি। প্রথম অবস্থায় এই অভ্যাস গুলি করতে একটু আপনার কষ্ট হবে কিন্তু ধীরে ধীরে আপনি যদি অভ্যাসে পরিণত হন তাহলে সব স্বাভাবিক হয়ে যাবে আপনি আবার আগের মত সকালে উঠতে পারবেন আপনার শরীর মন দুটি ভালো থাকবে।
প্রতিদিন একই সময়ে ঘুম থেকে উঠুন
প্রতিদিন একই সময়ে ঘুম থেকে উঠুন। আমরা অনেকেই যারা চাকরিজীবী আছি শুধু কর্ম দিবসে তাড়াতাড়ি উঠে ছুটির দিনে দুপুর পর্যন্ত ঘুমালে অভ্যাস তৈরি হবে না। শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি নিয়মিত সময়সূচি পছন্দ করে। তাই চেষ্টা করুন সপ্তাহের প্রতিদিন, এমনকি ছুটির দিনেও কাছাকাছি সময়ে ঘুম থেকে উঠতে।
আরো পড়ুনঃ
ঘর গোছানো সহজ ১৫টি টিপস
ধরা যাক, আপনি কর্মদিবসে সকাল ৮ টা ৩০ মিনিটে ওঠেন। ছুটির দিনে সকাল ১০টা বা ১১টা পর্যন্ত ঘুমালে সোমবার আবার তাড়াতাড়ি ওঠা কঠিন হবে। ছুটির দিনে কিছুটা বেশি বিশ্রাম নিতে পারেন, কিন্তু সময়ের পার্থক্য খুব বেশি না রাখাই ভালো। নিয়মিত ঘুম ও জাগরণের সময় মেনে চলা শরীরকে নির্দিষ্ট রুটিনে অভ্যস্ত করতে সাহায্য করে। ঘুম বিশেষজ্ঞদের পরামর্শেও প্রতিদিন প্রায় একই সময়ে ঘুমানো ও ওঠার কথা বলা হয়।
ধীরে ধীরে ঘুমানোর সময় এগিয়ে আনুন
সকালে তাড়াতাড়ি ওঠার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো রাতে সময়মতো ঘুমানো। শুধু অ্যালার্ম এগিয়ে দিলেই হবে না, ঘুমানোর সময়ও ধীরে ধীরে এগিয়ে আনতে হবে।আপনি যদি রাত ১২টায় ঘুমান, তাহলে প্রথম দিন রাত ৯টায় বিছানায় গিয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করলে হয়তো ঘুম আসবে না। বরং প্রতি দুই বা তিন দিন পর শোবার সময় ১৫-২০ মিনিট করে এগিয়ে আনুন।
কীভাবে সময় পরিবর্তন করবেন
- রাত ১২টা ৩০ মিনিটের বদলে ১২টা ১০ মিনিটে ঘুমাতে যান।
- কয়েক দিন পর রাত ১১টা ৫০ মিনিটে শোয়ার চেষ্টা করুন।
- এরপর রাত ১১টা ৩০ মিনিটকে লক্ষ্য করুন।
-
একইভাবে ধীরে ধীরে আপনার পছন্দের সময়ে পৌঁছান।প্রতিদিন সকালে তাড়াতাড়ি ওঠার অভ্যাস গড়াটা প্রতিটা মানুষই চায়। তবে পারে না কর্মব্যস্ততার কারণে এবং সারারাত কাজ করে এসে আর সকালে উঠতে মন চায় না ।তবেএই পদ্ধতিতে শরীরকে জোর করা হয় না। ফলে ঘুমের মানও ভালো থাকে এবং সকালে।অভ্যাসওটেকসই হয়।
ঘুমের আগে মোবাইল ব্যবহার কমান
রাতে বিছানায় শুয়ে মোবাইল দেখা সকালে তাড়াতাড়ি ওঠার অন্যতম বড় বাধা। ফেসবুক, ইউটিউব, শর্ট ভিডিও বা চ্যাট করতে করতে কখন যে রাত গভীর হয়ে যায়, অনেকেই তা বুঝতে পারেন না। পরে ঘুমাতে দেরি হয় এবং সকালে অ্যালার্ম শুনেও উঠতে ইচ্ছা করে না।ঘুমানোর অন্তত ৩০ মিনিট আগে মোবাইল ফোন, কম্পিউটার ও টেলিভিশন থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন। প্রথম দিন পুরোপুরি বন্ধ করা কঠিন হলে ধাপে ধাপে সময় কমান।
সহজ কিছু কৌশল
- ঘুমানোর আগে ফোনটি বিছানা থেকে দূরে রাখুন।
- মোবাইলে “ডু নট ডিস্টার্ব” চালু করুন।
- রাতে অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন।
- বিছানায় শুয়ে ভিডিও না দেখার নিয়ম করুন।
- প্রয়োজন হলে সাধারণ অ্যালার্ম ঘড়ি ব্যবহার করুন।
আপনি যেহেতু ডিজিটাল কনটেন্ট ও অনলাইন কাজের সঙ্গে যুক্ত। তাই রাতে কাজের সময় শেষ করার জন্য একটি নির্দিষ্ট “ডিজিটাল কাট-অফ টাইম” রাখতে পারেন। যেমন, রাত ১০টা ৩০ মিনিটের পর আর কাজ নয়।
পর্যাপ্ত ঘুমের সময় নিশ্চিত করুন
তাড়াতাড়ি ওঠার নামে কম ঘুমানো কোনো ভালো অভ্যাস নয়। আপনি যদি রাত ১টায় ঘুমিয়ে সকাল ৫টায় ওঠেন, তাহলে প্রথম দিকে মনে হতে পারে আপনি খুব উৎপাদনশীল হচ্ছেন। কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যে ক্লান্তি, মনোযোগ কমে যাওয়া, বিরক্তি এবং কাজের গতি কমে যেতে পারে।
প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সাধারণভাবে অন্তত ৭ ঘণ্টা ঘুমের পরামর্শ দেওয়া হয়। তাই সকাল ৬টায় উঠতে চাইলে আপনার শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী রাত ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ১১টার মধ্যে ঘুমানোর প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।
নিজের ঘুমের সময় হিসাব করুন
- সকাল ৬টায় উঠতে হলে রাত ১১টার মধ্যে ঘুমানো ভালো।
- সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে উঠলে রাত ১১টা ৩০ মিনিটের মধ্যে ঘুমের প্রস্তুতি নিন।
- আপনার ঘুম আসতে সময় লাগলে আরও ২০-৩০ মিনিট আগে বিছানায় যান।
তবে ঘুমের প্রয়োজন ব্যক্তি ও বয়সভেদে ভিন্ন হতে পারে। তাই শুধু ঘড়ির সময় নয়, ঘুম থেকে ওঠার পর আপনি সতেজ বোধ করছেন কি না, সেটিও লক্ষ্য করুন। আপনার শরীর যদি সবকিছুই মানিয়ে নিতে গুছিয়ে নিতে পারে তাহলে এটি কোন সমস্যা হওয়ার কথা না।
অ্যালার্ম বিছানা থেকে দূরে রাখুন
অ্যালার্ম বাজলেই হাত বাড়িয়ে বন্ধ করে দেওয়া খুব সহজ। এরপর “আর পাঁচ মিনিট” ভেবে আবার ঘুমিয়ে পড়া আরও সহজ। এই অভ্যাস বদলাতে অ্যালার্ম ফোন বা ঘড়ি বিছানা থেকে দূরে রাখুন।এমন জায়গায় অ্যালার্ম রাখুন, যেখানে তা বন্ধ করতে আপনাকে উঠে দাঁড়াতে হবে। উঠে দাঁড়ানোর পর সঙ্গে সঙ্গে পর্দা সরিয়ে দিন, এক গ্লাস পানি পান করুন অথবা মুখে পানি দিন। এতে আবার বিছানায় ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনা কমে।
অনেকগুলো অ্যালার্ম কি কার্যকর?
অনেকে ভোর ৫টা, ৫টা ১৫, ৫টা ৩০-এভাবে একাধিক অ্যালার্ম সেট করেন। এটি সাময়িকভাবে সহায়ক মনে হলেও অনেকের ক্ষেত্রে অ্যালার্ম বন্ধ করে আবার ঘুমিয়ে পড়ার অভ্যাস তৈরি করে। তাই প্রথমে একটি অ্যালার্ম ব্যবহার করে নিজেকে প্রশিক্ষিত করার চেষ্টা করুন।
যদি খুব ভোরে কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ থাকে, তাহলে একটি প্রধান অ্যালার্মের পাশাপাশি পরিবারের কাউকে আপনাকে ডাকতে বলতে পারেন। তবে অ্যালার্মের সংখ্যা বাড়ানোকে সমাধান না ভেবে ঘুমের রুটিন ঠিক করাকে অগ্রাধিকার দিন।
ঘুম থেকে ওঠার পর প্রথম কাজটি আগে ঠিক করুন
ঘুম থেকে ওঠার পর প্রথম কাজটি আগে ঠিক করুন। আপনি এটি রাতে ঘুমানোর আগেই ঠিক করে রাখবেন আমি আজকে কখন ঘুম থেকে উঠবো এবং উঠেই কি করব। সকালে ওঠার পর কী করবেন, তা যদি আগে থেকে ঠিক না থাকে, তাহলে বিছানায় পড়ে থাকার প্রবণতা বাড়ে। তাই রাতে ঘুমানোর আগে পরের দিনের প্রথম কাজটি লিখে রাখুন।
প্রথম কাজটি খুব কঠিন হওয়া দরকার নেই। যেমন:
- পাঁচ মিনিট হাঁটা।
- এক গ্লাস পানি পান করা।
- নামাজ বা প্রার্থনা করা।
- দিনের কাজের তালিকা তৈরি করা।
- ১৫ মিনিট বই পড়া।
- গুরুত্বপূর্ণ ব্লগ পোস্টের খসড়া লেখা।
- সকালের আলোতে কিছুক্ষণ দাঁড়ানো।
আপনার সকালের কাজ যদি অর্থপূর্ণ হয়, তাহলে ঘুম থেকে ওঠার জন্য মানসিক প্রস্তুতি তৈরি হবে। বিশেষ করে লেখালেখি বা ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজে যারা যুক্ত, তারা সকালে ৩০ মিনিটকে “নিরিবিলি কাজের সময়” হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।
সকালে প্রাকৃতিক আলো গ্রহণ করুন
সকালে প্রকৃতিক আলো গ্রহন করুন শরীরের জন্য খুব ভালো। ঘুম থেকে ওঠার পর ঘর অন্ধকার রেখে দিলে শরীর আরও ঘুমাতে চাইতে পারে। তাই উঠে পর্দা সরিয়ে দিন, জানালা খুলুন এবং সম্ভব হলে কিছুক্ষণ প্রাকৃতিক আলোতে থাকুন।সকালের আলো শরীরের ঘুম ও জাগরণের স্বাভাবিক ছন্দের সঙ্গে সম্পর্কিত। স্বাস্থ্যকর ঘুমের গাইডগুলোতেও দিনের বেলা আলোতে থাকার এবং সকালে সূর্যালোক পাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
আরো পড়ুনঃ
বাচ্চাদের পড়াশোনা মনোযোগী করার টোটকা
তবে রোদে দাঁড়ানোর সময় আবহাওয়া, তাপমাত্রা ও আপনার শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করুন। খুব তীব্র রোদে দীর্ঘ সময় দাঁড়ানোর দরকার নেই। জানালার পাশে বসা, বারান্দায় কিছুক্ষণ থাকা বা সকালে হালকা হাঁটাও দৈনন্দিন রুটিনের অংশ হতে পারে।
রাতে কফি ও ভারী খাবার কমান
রাতে কফি ও ভারী খাবার অধিকাংশ মানুষই খাই। কফি, এনার্জি ড্রিংক এবং কিছু কোমল পানীয়ে থাকা ক্যাফেইন ঘুম আসতে দেরি করাতে পারে। আপনি যদি রাতে ঘুমাতে না পারেন, তাহলে সকালে তাড়াতাড়ি ওঠা কঠিন হবে।যাদের রাতে চা বা কফি খাওয়ার অভ্যাস আছে, তারা ধীরে ধীরে পরিমাণ কমাতে পারেন। বিকেলের পর ক্যাফেইন গ্রহণ সীমিত করা অনেকের জন্য উপকারী হতে পারে।
একইভাবে ঘুমানোর ঠিক আগে অতিরিক্ত ভারী, ঝাল বা তেলযুক্ত খাবার খেলে অস্বস্তি হতে পারে। আমরা যারা বাঙালিরা আছি রাতে ভাত না খেলে হয় না। রাতের খাবার ঘুমের বেশ কিছুক্ষণ আগে শেষ করার চেষ্টা করুন। তবে ক্ষুধার্ত অবস্থায়ও বিছানায় যাওয়া উচিত নয়; প্রয়োজন হলে হালকা খাবার নিতে পারেন।
শোবার আগে একটি শান্ত রুটিন তৈরি করুন
সবার আগে একটি শান্ত রুটিন তৈরি করুন যে আপনি সকালে উঠে কি কি কাজ করবেন। ঘুমের আগে আপনার মস্তিষ্ককে বুঝতে হবে যে দিনের কাজ শেষ এবং এখন বিশ্রামের সময়। এজন্য ২০–৩০ মিনিটের একটি শান্ত রুটিন তৈরি করুন।
এই সময়ে আপনি করতে পারেন:
- হালকা বই পড়া।
- ধীরগতির সঙ্গীত শোনা।
- পরের দিনের পোশাক ও কাজ প্রস্তুত করা।
- হালকা স্ট্রেচিং করা।
- ডায়েরিতে দিনের চিন্তা লিখে রাখা।
- ধ্যান বা শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন করা।
ঘুমানোর আগে কাজ, তর্ক, উত্তেজনাপূর্ণ ভিডিও বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিতর্ক এড়িয়ে চলুন। শোবার রুটিন প্রতিদিন একই রকম হলে শরীর ধীরে ধীরে ঘুমের জন্য প্রস্তুত হতে শেখে।
পাঠকের জন্য ৭ দিনের শুরু পরিকল্পনা
- প্রথম আটটি উপায় বাস্তবে প্রয়োগ করার জন্য নিচের মতো একটি সহজ পরিকল্পনা নিতে পারেন
- প্রথম দিন: নির্দিষ্ট ওঠার সময় ঠিক করুন।
- দ্বিতীয় দিন: অ্যালার্ম বিছানা থেকে দূরে রাখুন।
- তৃতীয় দিন: ঘুমানোর ৩০ মিনিট আগে মোবাইল বন্ধ করুন।
- চতুর্থ দিন: শোবার সময় ১৫ মিনিট এগিয়ে আনুন।
- পঞ্চম দিন: ঘুম থেকে উঠে জানালা খুলুন ও পানি পান করুন।
- ষষ্ঠ দিন: রাতের চা বা কফির সময় এগিয়ে আনুন।
- সপ্তম দিন: পুরো রুটিনটি আবার পর্যালোচনা করুন।
একদিন ব্যর্থ হলে পরিকল্পনা বাদ দেবেন না। কোনো রাতে দেরি হয়ে গেলে পরের দিন আবার নির্দিষ্ট সময়সূচিতে ফিরে আসুন। অভ্যাস তৈরি হয় ধারাবাহিকতার মাধ্যমে, নিখুঁতভাবে প্রতিদিন সফল হওয়ার মাধ্যমে নয়।
দিনে দীর্ঘ সময় ঘুমাবেন না
দিনের বেলা দীর্ঘ সময় ঘুমালে রাতে সহজে ঘুম আসতে চায় না। ফলে আপনি দেরিতে ঘুমাবেন এবং সকালে তাড়াতাড়ি ওঠা কঠিন হয়ে যাবে। বিশেষ করে বিকেলের পর দীর্ঘ সময়ের ঘুম রাতের ঘুমের ওপর বেশি প্রভাব ফেলতে পারে। দুপুরে খুব ক্লান্ত লাগলে অল্প সময়ের জন্য বিশ্রাম নিতে পারেন। তবে সেই ঘুম যেন দীর্ঘ না হয় এবং সন্ধ্যার কাছাকাছি সময়ে না হয়। কারও যদি দিনে ঘুমানোর পর রাতে ঘুম আসতে সমস্যা হয়, তাহলে দিনের ঘুম কমানো বা বাদ দেওয়া উপকারী হতে পারে।
দিনের ঘুমের সহজ নিয়ম
- দুপুরে ঘুমালে অল্প সময়ের জন্য ঘুমান।
- বিকেল বা সন্ধ্যার পর ঘুমানো এড়িয়ে চলুন।
- ঘুমের বদলে ১০–১৫ মিনিট হাঁটতে পারেন।
- দুপুরে কাজের ফাঁকে চোখ বন্ধ করে বিশ্রাম নিতে পারেন।
- রাতে ঘুমের সমস্যা থাকলে দিনের ঘুমের সময় লিখে রাখুন।
তবে আপনি যদি রাতে পর্যাপ্ত ঘুম না পান, অসুস্থ থাকেন বা শারীরিকভাবে খুব ক্লান্ত থাকেন, তাহলে বিশ্রামের প্রয়োজন হতে পারে। লক্ষ্য হবে দিনের ঘুমের কারণে রাতের ঘুম যেন নষ্ট না হয়।
প্রতিদিন কিছুটা ব্যায়াম করুন
শরীর সক্রিয় থাকলে রাতে ঘুম আসতে সুবিধা হতে পারে এবং সকালে ঘুম থেকে ওঠাও সহজ হয়। এর জন্য জিমে যাওয়া বা কঠিন ব্যায়াম করা বাধ্যতামূলক নয়। নিয়মিত হাঁটা, সাইকেল চালানো, ঘরের কাজ বা হালকা স্ট্রেচিংও শুরু করার জন্য যথেষ্ট।আপনি প্রতিদিন ২০–৩০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করতে পারেন। সকালে হাঁটলে দিনের শুরুতেই শরীর সক্রিয় হয়, আবার বিকেলে হাঁটলেও রাতের ঘুমের প্রস্তুতি তৈরি হতে পারে।
সহজ ব্যায়ামের পরিকল্পনা
- সকালে ১০ মিনিট হাঁটা দিয়ে শুরু করুন।
- ধীরে ধীরে হাঁটার সময় ২০–৩০ মিনিট করুন।
- দীর্ঘ সময় বসে কাজ করলে প্রতি এক ঘণ্টা পর উঠে দাঁড়ান।
- ঘুমানোর ঠিক আগে খুব কঠিন ব্যায়াম করবেন না।
- শরীরের সামর্থ্য অনুযায়ী ব্যায়াম করুন।
আপনি যদি দীর্ঘ সময় কম্পিউটার বা মোবাইলে কাজ করেন, তাহলে কাজের মাঝখানে ছোট বিরতি নিন। এতে শরীরের ক্লান্তি কমবে এবং রাতের ঘুমের মানও ভালো হতে পারে। নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম ভালো ঘুমের অভ্যাসের একটি অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
শোবার ঘর শান্ত, অন্ধকার ও আরামদায়ক রাখুন
ঘুমের পরিবেশ ভালো না হলে আপনি সময়মতো ঘুমাতে পারবেন না। অতিরিক্ত আলো, শব্দ, গরম বা অস্বস্তিকর বিছানা ঘুমে বাধা দিতে পারে। তাই ঘুমানোর জায়গাটি যতটা সম্ভব শান্ত ও আরামদায়ক রাখুন।রাতে ঘরে বাইরের আলো ঢুকলে পর্দা ব্যবহার করতে পারেন। আশপাশে বেশি শব্দ হলে জানালা বন্ধ রাখা, কানে তুলা ব্যবহার করা বা কম শব্দের ফ্যান চালানো যেতে পারে।
ঘুমের পরিবেশ উন্নত করার উপায়
- ঘর পরিষ্কার ও গোছানো রাখুন।
- অপ্রয়োজনীয় আলো বন্ধ করুন।
- বিছানা ও বালিশ আরামদায়ক কি না দেখুন।
- ঘরে অতিরিক্ত গরম বা ঠান্ডা যেন না থাকে।
- বিছানায় বসে কাজ বা দীর্ঘ সময় ভিডিও দেখা বন্ধ করুন।
- সম্ভব হলে মোবাইল ফোন বিছানা থেকে দূরে রাখুন।
ঘুমানোর জন্য নির্দিষ্ট পরিবেশ তৈরি করলে মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে বুঝতে শেখে যে বিছানায় যাওয়া মানে বিশ্রামের সময়। আর ভালো ঘুম হলে প্রতিদিন সকালে তাড়াতাড়ি ওঠার অভ্যাস গড়বেনএই লক্ষ্য অর্জন করা সহজ হবে।
ঘুম থেকে ওঠার পর সঙ্গে সঙ্গে বিছানা ছাড়ুন
ঘুম থেকে ওঠার পর সঙ্গে সঙ্গে বিছানায় ছাড়ুন। অ্যালার্ম বন্ধ করার পর বিছানায় শুয়ে “আর পাঁচ মিনিট” ভাবলে অনেক সময় আধা ঘণ্টা কেটে যায়। তাই অ্যালার্ম বন্ধ করার পর একটি নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করুন।অ্যালার্ম বন্ধ করেই উঠে বসুন, দুই পা মেঝেতে রাখুন এবং দাঁড়িয়ে যান। এরপর জানালা খুলুন, মুখে পানি দিন বা এক গ্লাস পানি পান করুন। প্রথম কয়েক দিন কষ্ট হলেও এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখলে শরীর নতুন রুটিনে অভ্যস্ত হবে।
৫ মিনিটের সকালের রুটিন
- ১ম মিনিট: অ্যালার্ম বন্ধ করে উঠে দাঁড়ান।
- ২য় মিনিট: এক গ্লাস পানি পান করুন।
- ৩য় মিনিট: জানালা বা পর্দা খুলুন।
- ৪র্থ মিনিট: মুখে পানি দিন।
- ৫ম মিনিট: দিনের প্রথম কাজ শুরু করুন।
সকালে করার মতো নির্দিষ্ট একটি কাজ রাখুন
সকালে ওঠার পর যদি করার মতো কোনো কাজ না থাকে। তাহলে ঘুম থেকে ওঠার আগ্রহ কমে যেতে পারে। তাই ভোরে ওঠার একটি ব্যক্তিগত কারণ তৈরি করুন।আপনি সকালে নিজের পছন্দের কাজ করতে পারেন। যেমন বই পড়া, নামাজ বা প্রার্থনা, হাঁটা, বাগানের যত্ন, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো কিংবা লেখালেখি।
আপনি যেহেতু ব্লগ লেখা ও SEO কনটেন্ট তৈরির সঙ্গে যুক্ত, তাই সকালে ৩০ মিনিটকে সৃজনশীল কাজের জন্য রাখতে পারেন। এই সময়ে আপনার মাথায় অনেক কিওয়ার্ড আসবে যা আপনি নিরিবিলি রিসার্চ করতে পারবেন যে আমি আমার পাঠকদের জন্য কোন কোন আর্টিকেলগুলো লিখতে পারবো এবং পাঠকের উপকারে আসবে।
- নতুন ব্লগের বিষয় নির্বাচন করুন।
- কিওয়ার্ডের তালিকা তৈরি করুন।
- আগের লেখার ভুল সংশোধন করুন।
- ব্লগের ভূমিকা বা আউটলাইন লিখুন।
- দিনের কনটেন্ট কাজের পরিকল্পনা করুন।
সকালের নীরব সময়কে যদি নিজের উন্নতি বা গুরুত্বপূর্ণ কাজের সঙ্গে যুক্ত করতে পারেন, তাহলে তাড়াতাড়ি ওঠা আপনার কাছে শাস্তি মনে হবে না; বরং এটি আপনার ব্যক্তিগত অগ্রগতির সময় হয়ে উঠবে।
ঘুমানোর আগে পরের দিনের প্রস্তুতি নিন
সকালে উঠেই যদি পোশাক, কাজের তালিকা বা প্রয়োজনীয় জিনিস খুঁজতে হয়, তাহলে আপনার রুটিন এলোমেলো হয়ে যেতে পারে। তাই রাতে ঘুমানোর আগে পরের দিনের ছোট প্রস্তুতিগুলো শেষ করে রাখুন। যেমন, সকালে হাঁটতে গেলে জুতা ও পোশাক আগে থেকে বের করে রাখুন। লেখালেখি করতে চাইলে ডেস্ক পরিষ্কার করে প্রয়োজনীয় খাতা, কলম বা কম্পিউটার প্রস্তুত রাখুন। শিক্ষার্থীরা বই-খাতা সাজিয়ে রাখতে পারেন।
রাতে প্রস্তুতির তালিকা
- পরের দিনের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি কাজ লিখুন।
- সকালের পোশাক প্রস্তুত রাখুন।
- প্রয়োজনীয় বই বা কাজের সরঞ্জাম গুছিয়ে রাখুন।
- অ্যালার্মের সময় পরীক্ষা করুন।
- সকালে কী খাবেন, তা আগে থেকে ঠিক করুন।
- ঘুমানোর আগে অসমাপ্ত কাজের চিন্তা লিখে রাখুন
একদিন ব্যর্থ হলে অভ্যাস ছেড়ে দেবেন না
নতুন অভ্যাস তৈরি করার সময় এক-দুই দিন ব্যর্থ হওয়া স্বাভাবিক। কোনো দিন দেরিতে ঘুমিয়ে পড়তে পারেন, অ্যালার্ম শুনে উঠতে নাও পারেন বা অসুস্থতার কারণে রুটিন নষ্ট হতে পারে। এতে পুরো পরিকল্পনা বাতিল করার দরকার নেই।অনেকে একদিন ব্যর্থ হয়ে ভাবেন, “আমি কোনোদিনই সকালে উঠতে পারব না। এই চিন্তা সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে দেয়। বরং পরের দিন আবার নির্দিষ্ট সময়ে ওঠার চেষ্টা করুন।
ব্যর্থতার পর কী করবেন
- কেন দেরি হয়েছে, কারণটি লিখে রাখুন।
- পরের রাতে ১৫–২০ মিনিট আগে ঘুমাতে যান।
- অ্যালার্মের অবস্থান পরিবর্তন করুন।
- ঘুমানোর আগে মোবাইল ব্যবহারের সময় কমান।
- একসঙ্গে অনেক পরিবর্তন না এনে একটি সমস্যা সমাধান করুন।
- নিজের অগ্রগতি প্রতি সপ্তাহে পর্যালোচনা করুন।
শরীরের সংকেতকে গুরুত্ব দিন
সকালে তাড়াতাড়ি ওঠা ভালো অভ্যাস হতে পারে। কিন্তু সবার জন্য একই সময়ে ওঠা প্রয়োজনীয় নয় কেউ সকাল ৫টায় উঠে ভালো কাজ করতে পারেন। আবার কারও কাজের সময় অনুযায়ী সকাল ৭টা বা ৮টায় ওঠাই স্বাভাবিক হতে পারে।মূল বিষয় হলো আপনি পর্যাপ্ত ঘুম পাচ্ছেন কি না এবং ঘুম থেকে ওঠার পর সতেজ বোধ করছেন কি না। শুধু অন্য কাউকে দেখে বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিও দেখে নিজের ঘুমের সময় অস্বাভাবিকভাবে কমিয়ে দেবেন না।
যদি নিয়মিতভাবে নিচের সমস্যাগুলো থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত
- পর্যাপ্ত সময় বিছানায় থাকার পরও সারাদিন অতিরিক্ত ঘুম পায়।
- রাতে ঘুম আসতে দীর্ঘ সময় লাগে।
- জোরে নাক ডাকেন বা ঘুমের মধ্যে শ্বাস বন্ধ হয়ে আসে।
- সকালে ঘুম থেকে উঠে দীর্ঘ সময় মাথা ভার থাকে।
- কয়েক সপ্তাহ চেষ্টা করেও ঘুমের রুটিন ঠিক হয় না।
১৪ দিনের বাস্তবসম্মত অভ্যাস পরিকল্পনা
- ১–৩ দিন: আপনার বর্তমান ঘুম ও ওঠার সময় লিখে রাখুন। হঠাৎ পরিবর্তন না এনে নির্দিষ্ট একটি ওঠার সময় ঠিক করুন।
- ৪–৬ দিন: অ্যালার্ম বিছানা থেকে দূরে রাখুন এবং ঘুম থেকে ওঠার পর পানি পান করার নিয়ম করুন।
- ৭–৯ দিন: ঘুমানোর ৩০–৬০ মিনিট আগে মোবাইল ব্যবহার কমান। শোবার আগে শান্ত একটি রুটিন অনুসরণ করুন।
- ১০–১২ দিন: দিনের ঘুম কমান, নিয়মিত হাঁটুন এবং সকালে প্রাকৃতিক আলো গ্রহণ করুন।
- ১৩–১৪ দিন: কোন কৌশল আপনার জন্য বেশি কার্যকর হয়েছে তা লিখে রাখুন। এরপর একই রুটিন আরও কয়েক সপ্তাহ চালিয়ে যান।
একই রুটিন ধারাবাহিকভাবে অনুসরণ করলে শরীর নতুন সময়সূচির সঙ্গে ধীরে ধীরে মানিয়ে নিতে পারে। তবে আপনার ঘুমের প্রয়োজন অনুযায়ী সময় ঠিক করবেন; অন্যের রুটিন হুবহু অনুসরণ করার দরকার নেই।
প্রতিদিন সকালে তাড়াতাড়ি ওঠার নিয়ে পাঠকের শেষ কথা
প্রতিদিন সকালে তাড়াতাড়ি ওঠার অভ্যাস গড়বেন।এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য শুধু ভোরের অ্যালার্ম দিলেই হবে না। আপনাকে রাতে সময়মতো ঘুমাতে হবে, মোবাইল ব্যবহার কমাতে হবে, দিনের ঘুম নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, সকালের জন্য একটি অর্থপূর্ণ কাজ ঠিক করতে হবে এবং ব্যর্থ হলেও আবার রুটিনে ফিরে আসতে হবে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, তাড়াতাড়ি ওঠার জন্য ঘুম কমানো যাবে না। পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করে ধীরে ধীরে ওঠার সময় এগিয়ে আনুন। একসঙ্গে ১৬টি নিয়ম শুরু না করে প্রথমে দুই বা তিনটি উপায় বেছে নিন। তারপর শরীর ও মনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে ধীরে ধীরে বাকি অভ্যাসগুলো যুক্ত করুন।
প্রিয় পাঠকদের আমি আমার ক্ষুদ্র অভিজ্ঞতা থেকে আমি আপনাদের কাছে ঘুম থেকে তাড়াতাড়ি ওটার একটি অভিজ্ঞতা নিয়ে আর্টিকেলটি লিখেছি। এই আর্টিকেলটি যদি আপনার কোন উপকারে আসে তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনাদের প্রিয় বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন এবং ওয়ান ক্লিকের সাথেই থাকবে আপনাদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ এই আর্টিকেলটি পড়ার জন্য। এই আর্টিকেটে নিয়ে যদি আপনাদের কোন বক্তব্য থাকে তাহলে কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করবেন আমরা রিপ্লে করব।

.webp)
ওয়ান ক্লিকই নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url