সিটি ব্যাংকে পার্সোনাল লোন নেওয়া একবারে সহজ।অল্প পরিশ্রমে এই লোনটি
পাওয়া সম্ভব আমাদের অনেক প্রয়োজন মেটাতে এই পার্সোনাল লোনটি নিয়ে থাকি। যেমন
ঘর সাজানো, মেডিকেল বিল, বিয়ের খরচ ইত্যাদি জরুরী মিটানো যায়
City Bank Parconal
লোন নিতে হলে কিছু বিষয়ে আপনাকে জানা প্রয়োজন। আমি এই আর্টিকেলে খুব সহজভাবে
কিছু বোঝানোর চেষ্টা করেছি। আপনাদের পার্সোনাল লোন পেতে হলে আপনার প্রয়োজনে
কাগজপত্র কি,প্রয়োজনীয় যোগ্যতা, এবং আবেদন কিভাবে করবেন এর প্রক্রিয়া। কেমনে
কিভাবে পেতে হবে আমি নিচে ১০টা উপায়ে জানানোর চেষ্টা করেছি
পেজ সূচিপত্রঃ সিটি ব্যাংক পার্সোনাল লোন পাওয়ার উপায় গুলি
দেখুন
পার্সোনাল লোন কি এবং কেন নিবেন
পার্সোনাল লোন হলো একটা ব্যক্তিগত ঋণ। আপনি এই লোনটি নিতে পারবেন কোন জমির কাগজ
বাড়ির কাগজ এসব ছাড়াই আপনি নিতে পারবেন। আপনি এই লোনটি নিয়ে মেডিকেল বিল,
বিবাহর খরচ, শিক্ষা, এসব জরুরী কাজের জন্য এই লোনটি নিতে পারেন। মিলনটি ব্যাংক [
EMI ] হিসেবে মাসিক কিস্তি নিবে।এবং লোনের পরিমাণ আপনার আয়ের উপর নির্ভর
করে।
আপনি এই পার্সোনাল লোন নেওয়ার আগে আপনার ইনকাম দেখবেন। সুদের হার কমতেও
পারে আবার বাড়তেও পারে লোন নেওয়ার আগে আপনি এসব জেনে নিবেন। এই লোনের মেয়াদ
কয়েক মাস থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত হয় ছোট খরচের জন্য দ্রুত সুবিধা দেয়।এই লোন
নেওয়ার আগে আপনার বার্ষিক আয় খরক মাথায় রাখবেন। অনেক সময় প্রসেসিং ফি
বেশি লাগে এই জিনিসটার মাথায় রাখবেন।
পার্সোনাল লোন কারা আবেদন করতে পারবে
সিটি ব্যাংকে পার্সোনাল লোন আবেদন করতে পারে সাধারণত যারা সিটি ব্যাংকের
পার্মানেন্ট চাকরি করে যারা। এবং অন্যান্য কর্পোরেট অফিসের পার্মানেন্ট
স্টাফদের ও আবেদন করার সুযোগ আছে। যারা ব্যবসা করে তারাও আবেদন করতে পারবে
যারা বিদেশে থাকে তাদেরও আবেদন করার সুযোগ আছে শুধু পদ্ধতি গুলো একটু আলাদা
কিছু বিষয়ে জানা খুব জরুরী আবেদন করতে।
আবেদনকারীর বয়সসীমা ন্যূনতম ২১ তেকে ৫০ বা ৬০ এরমধ্যে হতে পারে।চাকরিজীবীদের
জন্য অন্যতম স্যালারি থাকতে হবে। এবং যারা ব্যবসা করে তাদের ব্যাংক স্টেটমেন্ট
স্থানীয় ঠিকানা আইডি কার্ড লাগবে যারা বিদেশে থাকে আলাদা শর্তে আবেদন করতে
পারে। ব্যাংক স্কোর ভালো থাকতে হবে যদি আপনি কোন ব্যাংকে ডিফল্টার
কাস্টমার, হয়ে থাকেন তাহলে আবেদন করতে কিছু সমস্যা হতে পারে।
আবেদন করার সহজ ধাপগুল
পার্সোনাল লোন নিতে হলে আপনাকে সর্বপ্রথম নির্ধারণ করতে হবে আপনি কত টাকা লোন
নিবেন। তারপরে ওই লোনের পরিমাণ মতো আপনি অনলাইনে সাবমিট করতে পারেন।বা আপনি
ব্রঞ্চেও যেতে পারেন কাস্টমার সার্ভিসের সাথে কথা বলবেন। আপনাকে একটা লোন ফরম
দিবে ওখানে আপনি নির্দিষ্ট আপনার যে অ্যামাউন্ট চাঁদ যেন এমনটি লিখে দিবেন এবং
জৈনিক কাগজপত্র লাগতে পারে এগুলো দিবেন।
নাগরিকত্ব, আয়ের প্রমান, ঠিকানার প্রমাণ জমা দিন। ব্যাংক আপনার একাউন্টে
স্টেটমেন্ট চেক করবে আপনার লেনদেন চেক করবে আপনি আগে কোথাও লোন নিছেন নাকি চেক
করবে। আপনার সবকিছুই ভালো থাকলে এবং কাস্টমার সার্ভিস থেকে ফোন দিবে এবং
এগ্রিমেন্ট সিগনেচার দিবেন। এগ্রিমেন্ট সিগনেচার দেওয়ার আগে আপনি সবকিছু দেখে
নেবেন আপনার ফ্রি আপনার সুদ কোন তারিখে কিস্তি পরবে সব কিছু দেখে নিবে।
যেসব কাগজপত্র পার্সোনাল লোনে লাগে
City Bank Parconal লোনের ক্ষেত্রে যেসব কাগজপত্র লাগবে। নাগরিকত্ব, পাসপোর্ট না
থাকলে আইডি কার্ড, এবং আপনি যেখানে চাকরি করেন জব সার্টিফিকেট ৩ থেকে ৬ মাসের
স্যালারি স্টেটমেন্ট লাগবে বা সেলারি স্লিপ আর যদি আপনার ব্যবসা করে থাকেন তাহলে
আপনি Tax Return কপি এবং বিদ্যুৎ বিলের কপি জমা দিতে হবে।
আপনি চেষ্টা করবেন আপনার সব কাগজপত্র ঠিকঠাক জমা দেওয়ার জন্য। যদি আপনি সব
কাগজপত্র সঠিকভাবে জমা দেন তাহলে আপনার লোন পেতে কোন অসুবিধা হবে না। আপনার
সব কাগজপত্র ঠিক হয়ে গেলে আপনি সবকিছু অনলাইনে সাবমিট করতে পারেন। বা আপনি
ব্রাঞ্চের কোন সাক্ষাতে যাইও আপনার কাগজপত্র জমা দিতে পারবেন।
পার্সোনাল লোনের Interest ও EMI কেমন হবে
সিটি ব্যাংকে পার্সোনাল লোন নিতে হলে আপনাকে একটা জিনিস খেয়াল রাখতে হবে সুদ ও
কিস্তির এই বিষয়টি আপনাকে মাথায় রাখতে হবে।কারণ সুদের হার, কিস্তি সবকিছু
নির্ভর করে আপনি কত বছরের জন্য এই পার্সোনালটি নিতে চাচ্ছেন সুদ স্থায়ী ও বা
চলমান হতে পারে, স্থায়ী হলে পুরো সময় একই থাকবে।বছরে অনেক সময় সুদের হার
বার এই ক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন হতে পারে।
আরেকটি হলো [ EMI] এটা হচ্ছে কিস্তি। আপনি যদি বেশি মেয়েদের এই লোনটি নিয়ে
থাকেন তাহলে আপনার কিস্তি কম আসবে। আর যদি আপনি কোন সময়ের জন্য নেন তাহলে
কিস্তির এমাউন্টটি বাড়তে পারে। পার্সোনাল লোন নেওয়ার আগে আপনি দেখেন এক বছরে
আপনার কিস্তি কেমন আসবে কত টাকা দিতে হবে এবং আপনার সেলারিতে কত টাকা ঢুকে।সবকিছু
ক্যালকুলেশন করে লোন নিন।
আবেদন কোথায় করবেন অনলাইনে না শাখায় কোনটা ভালো
আপনি চিন্তা করতে পারেন আপনার কাগজপত্র আপনি কোথায় জমা দিবেন অনলাইনে না
শাখায়। পুরোটা নির্ভর করে আপনার জন্য আপনি যদি অনলাইনে কাগজপত্র সব জমা দেন
তাহলে আপনার সময় অনেকটা বেঁচে যাবে।, আর যদি আপনি মনে করেন ব্রাঞ্চে এসব আপনি সব
কাগজপত্র জমা দিবেন তাও পারবেন ।
আপনি সর্বপ্রথম আপনার জরুরী সব কাগজপত্র নিয়ে আপনি ব্যাংকে শাখায় চলে
আসবেন। আসার পরে আপনি কাস্টমার সার্ভিস ডেক্সে যাবেন আপনার কাগজপত্র জমা
দিবেন তারপর উনারা ভাল করে আপনার কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে আপনার থেকে
এগ্রিমেন্ট পেপারে সিগনেচার নেবে। শাখায় কাগজ জমা দেওয়ার একটাই সুবিধা
কোন সমস্যা হলে তারা ওখানেই সব ঠিক করে দিবে।
পার্সোনাল লোন পেতে কতদিন লাগে
মনের আবেদন করার পর ৫ কর্ম দিবস তেকে ১০ কর্ম দিবস পর্যন্ত সময় লাগে।
আপনার যদি কাগজপত্র সব ঠিক থাকে তাহলে সময় আরো কম লাগবে। যদি আপনার স্টেটমেন্টের
বা আপনার ব্যাংক স্যালারিতে কোন ঝামেলা থাকে তাহলে সময় বেশি লাগতে পারে। অনলাইনে
কাগজ জমা দিলে আরো বেশি সময় লাগবে যদি আপনার আর্জেন্ট হয় তাহলে ব্রাঞ্চে যেয়ে
কথা বলাই ভালো।
সময় বারে যেসব কাজে। আপনি যদি লোন অ্যামাউন্ট বেশি নেন সে ক্ষেত্রে ভেরিফিকেশন
হয় ফোনে বা ভিজিট করে। অনেক সময় অতিরিক্ত ডকুমেন্টস লেগে থাকতে পারে সেই জন্য
আরো সময় বেশি লাগতে পারে প্রয়োজন মত সব ডকুমেন্ট রেডি থাকলে পাঁচ থেকে দশ কর্ম
দিবসের মধ্যে আপনার লোন পেয়ে যাওয়ার কথা।
আগে থেকেই টাকা পরিশোধ করলে যা জানতে হবে
আপনি লোন নাওয়ার আগে আপনার এগ্রিমেন্ট পেপার চেক করে নিবেন। ব্যাংকের নীতিমালা
চেক করে নিন ব্যাংকের আপনি যদি আগে পেমেন্ট করতে যেমন পি পেমেন্ট আগে করলে সুখ
কিছু কমতে পারে কিস্তির পরিমাণও কম হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে পিপি পেমেন্ট করতে
গেলে কিছু সার্চ প্রযোজ্য হয় যেমন আপনার লোনের ১.৫% পর্যন্ত পি পেমেন্ট হতে
পারে
সব ক্ষেত্রে প্রি পেমেন্ট করতে লাভ হয় না আপনার এগ্রিমেন্টে চেক করে নিবেন যে
আপনার কি পেমেন্টের অপশন আছে কিনা। আপনি লোন নেওয়ার আগে আপনি সব ব্যাংকের
নীতিমালা বুঝে নিবেন আগে থেকে যেন কোন ভুল বোঝাবুঝি না হয়। এজন্য আপনি লোন
নেওয়ার আগে সবকিছু ভালোভাবে দেখে নিবেন ভবিষ্যতে কোন সুদের হার এড়ানো
সম্ভব
লোন নেওয়ার আগে কি কি বিষয় জানা প্রয়োজন
সিটি ব্যাংকে পার্সোনাল লোন নিতে হলে আপনাকে কিছু বিষয় মনোযোগ দিয়ে দেখতে হবে।
সর্বপ্রথম দেখতে হবে আপনার অবস্থা যে আপনি এই অবস্থা থেকে সিটি ব্যাংক থেকে কত
লোন পেতে পারেন এবং তাদের পলিসি যেমন সুদের হার, কিস্তির পরিমাণ, এবং কত দিনে
দিতে হবে, সেক্ষেত্রে আপনি একটা বিষয় খেয়াল রাখবেন যে আপনার স্যালারি উপর এটি
ডিফারেন্ট করবে।
সর্বপ্রথম আগে আপনি ব্যাংকে যাবেন তার পরে তাদের পলিসি ভালোভাবে পড়ে দেখবেন। লোন
নেওয়ার ক্ষেত্রে আপনি তাড়াহুড়া করবেন না আপনি প্রয়োজন মত সব ডকুমেন্টস ভালো
করে চেক করে নিবেন। এবং তা মন দিয়ে পড়বেন আপনার বলেছি অনুযায়ী যদি সব ঠিক থাকে
তাহলে এবং আপনি বিষয়গুলো জেনে রাখবেন একসময় প্রসেসিং সেটাও মাথায় রাখার
প্রয়োজন।
সিটি ব্যাংকে পার্সোনাল লোন নেওয়ার সুবিধা ও সতর্কতা
City Bank Parconal লোন নিয়ে আপনি যেকোন প্রয়োজন মেটাতে পারবেন। সব কিছুরই ভালো
বা খারাপের দিকে আছে নিয়ে যেমন আপনি অনেক প্রয়োজন মেটাতে পারবেন আবার এই লোন
নিয়ে আপনি অনেক বিপদেও করতে পারেন এই জন্য সব কিছুতেই সতর্কতা থাকা ভালো লোন
নেওয়ার আগে আপনার ফ্যামিলির খরচ এবং আপনার সেলারি স্টেটমেন্ট চেক করুন।
এলনটি নিয়ে আপনি প্রয়োজন মত সব কাজ করতে পারবেন যেমন চিকিৎসা পড়াশুনা
ডাক্তারের বিল ইত্যাদি। তবে আপনি লোন নেওয়ার আগে একটা জিনিস মাথায় রাখবেন।
নিজের সমস্ত অনুযায়ী লোন নেওয়ার চেষ্টা করবেন পরবর্তীতে এই লোনের কিস্তির টাকা
যেন আপনার উপরে চাপ সৃষ্টি না হয়। এবং কত পারসেন্ট এর সুদের হারে নিচ্ছেন এটি
ভালো করে চেক করবেন।
পাঠকের শেষ কথা
সিটি ব্যাংকে পার্সোনাল লোন নেওয়া অনেক সহজ। আবার অনেক কঠিন যদি আপনার
ইকুইমেন্টের কাগজপত্র সব ঠিক থাকে তাহলে আপনি লোনটি খুব সহজেই পাবেন। আপনারা
কিভাবে এই লোনটি নিতে পারবেন আমি সহজ ভাবে কিছু উপায়ে আপনাদেরকে বুঝানোর চেষ্টা
করেছি।
আমি মূল্যবান কিছু কথা বলতে চাই আমার পাঠকদের উদ্দেশ্যে। যদি আপনার প্রয়োজন না
হয় তাহলে লোন নেওয়ার কোন প্রয়োজন নেই । কারণ এই ছোট্ট লোনটি একদিন অনেক
বড় আকার ধারণ করে তাই আপনার যতটুকু প্রয়োজন অতটুকুই লোন নিন আপনার ইনকাম
যতটুক তার থেকে কিছু অংশ ইএমআই বিয়ে যেন আপনার সংসার চালাতে পারে।
প্রিয় বন্ধুরা আমার এই আর্টিকেলটি যদি আপনার ভালো লেগে থাকে। আপনার যদি কোন
উপকারে আসে তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন ধন্যবাদ প্রিয়
বন্ধুরা আমার সাথে থাকার জন্য এই আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আবারো ধন্যবাদ।
ওয়ান ক্লিকই নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url