গ্রামে পার্ট টাইম ব্যবসার আইডিয়া।

গ্রামে লেখাপড়া করে পাশাপাশি আমরা কিছু একটা, করতে চাই আমাদের ফ্যামিলির জন্য। লেখাপড়ার, পাশাপাশি বাড়তি কিছু আয়ের জন। লাভজনক পার্ট টাইম ব্যবসার আইডিয়া খুঁজি। আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম ইউনিক আইডিয

গ্রামে পার্ট টাইম ব্যবসার আইডিয়া

আমরা গ্রামে থেকে আমরা চাকরির পিছনে না ঘুরে।গ্রামে অনেক লাভজনক ব্যবসা আছে গ্রামে ব্যবসা করতে বেশি পুঁজি লাগে না। অল্প পুঁজিতে অনেক ভালো ব্যবসা করা যায় গ্রামে পার্টটাইম ব্যবসা এবং লাভজনক সবচেয়ে জনপ্রিয় ১০ টি ইউনিক আইডিয়া আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম। নিচে আপনাদের জন্য তালিকা দিয়ে দিলাম

গ্রামে-পার্ট-টাইম-ব্যবসার- ১০ ইউনিক-আইডিয়া

গ্রামে পার্ট টাইম ব্যবসা কিভাবে শুরু করবেন

গ্রামে পার্ট টাইম ব্যবসা করতে গেলে ।  অনেক  লাভজনক ব্যবসা খুঁজে পাবেন' যেটা অল্প পুজিতেই করা সম্ভব এবং এখান থেকে অনেক  লাভবান হওয়া সম্ভব। কারণ গ্রামে ব্যবসা করতে আইডিয়া মোতাবেক কাজ করতে হবে। আপনার কাছে যদি ১০ হাজার বা 20 হাজার টাকা থাকে সে ক্ষেত্রে; আপনি ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। 

  • আইডিয়া

আপনাকে আগে বুঝতে হবে আপনি কোন কাজের দক্ষতা। এবং কোন কাজ করতে বেশি পছন্দ করেন আপনি যাচাই করুন আপনার গ্রামের কোন জিনিসটা মানুষের সব থেকে বেশি প্রয়োজন। ওইখান থেকে বিজনেস আইডিয়া বের করুন 

এবং আপনি সময় নির্বাচন করুন। আপনি কয়টা থেকে কয়টা পর্যন্ত সময় আপনার বিজনেসে বা ব্যবসাতে দিতে পারবেন এটি আগে ঠিক করুন [যেমন বিকেল ৪ থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত। এই ব্যবসার আইডিয়া বের করুন । একটা জিনিস আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে। প্রথমে বড় আকারে বিনয়ক না করে ছোট পরিসারে বিনয়ক করতে পারেন। 

আরো পড়ুন: প্রতি সপ্তাহে 4000  টাকা পর্যন্ত ইনকাম করুন

শুরুতে আপনি গ্রামে স্টক ব্যবসা শুরু করতে পারেন। মৌসুমী যে ফসলগুলো হয়, যেমন ধান গম আলু রসুন এবং পেঁয়াজ। এক দুই মন স্টক করে ব্যবসার টায়াল দিতে পারেন। এর থেকে আপনারা ভালো একটা বিজনেস করার আইডিয়া পেতে পারেন। কি কি ব্যবসা শুরু করতে পারবেন অল্প পুজিতে ভালো লাভজনক ব্যবসা নিচে দিলাম। 

গ্রামে পার্ট টাইম ডিজিটাল সার্ভিস ব্যবসা

গ্রামে আপনি পার্টটাইম ডিজিটাল সার্ভিসি দিতে পারেন। শুধু আপনাকে একটা বাজারকে টার্গেট করতে হবে যে বাজারে অনেক গ্রামের মানুষ একত্রিত হয়। ওইখানে একটা দোকান নির্বাচন করতে হবে এবং আপনার দোকানে ডিজিটাল সার্ভিস থাকতে হবে। কি কি ডিজিটাল সার্ভিস আপনি দিবেন বা আপনার দোকানে এই সার্ভিস গুলো অ্যাভেলেবল রাখবেন মানুষের চাহিদা অনুযায়ী। কি কি রাখবেন

  •  বিকাশ এজেন্ট নগদ এজেন্ট ডাচ বাংলা এজেন্ট
  •  ফটোকপি মেশিন রাখবেন
  •  ছবি প্রিন্ট করার মেশিন রাখবেন
  • কম্পিউটার পিসি রাখবেন

এই প্রয়োজনীয় জিনিস গুলো রাখবেন এগুলোর মানুষের নিত্যদিন কাজে লাগে। মানুষ প্রতিদিন আপনার দোকানে যেন এসে কারেন্টের বিল। এবং কোন ডকুমেন্টস যদি ফটোকপি করতে চায় যেন আপনার দোকান থেকে করতে পারে। কোন চাকরির ফরম যেন আপনার দোকান থেকে করতে পারে। মানুষের চাহিদা অনুযায়ী সবকিছুই রাখার চেষ্টা করবেন।

আরো পড়ুন ঃ 

মানুষের চাহিদা অনুযায়ী যদি আপনি এই সার্ভিস গুলো দিয়ে যান। এখান থেকে আপনি অনেক লাভবান হতে পারেন এই ব্যবসা করতে আপনার বেশি বিনিয়োগ করতে হবে না অল্প বিনিয়গেই আপনি লাভবান হতে পারবেন একটা জিনিস খেয়াল রাখবেন আপনার নির্বাচন জায়গাটা যেন সঠিক জায়গা হয় তাহলেই আপনি ফিউচারে সুন্দর একটা বিজনেসম্যান হতে পারবেন।

গ্রামে ভাজা পোড়া এবং চায়ের দোকান.

গ্রামে পার্ট টাইম ব্যবসা হিসাবে ভাজাপোড়া এবং চায়ের দোকানে প্রচুর পরিমাণ লাভ । এখানে আপনাকে বেশি সময় দিতে হয় না, আপনি যদি নিয়ম করে ৫ থেকে রাত্রি ৯ পর্যন্ত আপনি দোকান চালিয়ে যান অল্প পুঁজিতে অনেক লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।কারণ গ্রামের অধিকাংশ মানুষ কাজকাম শেষ করে বিকেল থেকেই বাজারে আসা শুরু করে। 

এই ব্যবসাতে বেশি পুঁজি লাগে না। এর জন্য একটা জায়গা নির্ধারণ করতে হবে আর ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ করলেই। আপনি এই ব্যবসাটা চালিয়ে যেতে পারবেন এই ভাজাপোড়ার ব্যবস্থার মধ্যে প্রচুর পরিমাণ লাভ থাকে এইজন্য গ্রাম অঞ্চলের কাঁচামালের দাম খুব কম হয় আর ভাজাপোড়া বেশিভাগ কাঁচামাল দিয়ে তৈরি হয় 

 কিছু টেকনিক মাথায় রাখবেন.

এই ব্যবসা করতে গেলে একটা বিষয় খেয়াল রাখবেন। কর্মচারী বেশি রাখার দরকার নাই শুধু একজন রাখবেন। আর আপনি এশিয়ার হবেন এবং মানুষকে খাবার দিবেন। এতে করে আপনার দুইটা মানুষের বেতন দেওয়া লাগবে না এক আপনার খাবার দেওয়া একটা কর্মচারী লাগতো আর একটা আপনি নিজেই কিসিয়ার।তাহলে আপনি ভালো মুনাফা অর্জন করতে পারবেন ছাগলের খামারও প্রচুর পরিমাণ মুনাফা আসতে পারে 

গ্রামে ছাগলের খামার কররে ব্যবসা। 


ছাগল লালন পালন করে লাভবান হওয়া একেবারেই সহজ।তবে এতে সতর্ক, পরিকল্পনা ও নিয়মিত যত্ন, এবং বাজার বাণিজ্য সম্প্রতি জ্ঞানের প্রয়োজন।একটি সফল ছাগল খামার গড়ে তুলতে হলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে।আপনাকে সর্বপ্রথম আগে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে, ছোট পরিসরে শুরু করুন।

এবং তা ধীরে ধীরে বড় করার চেষ্টা করুন।আপনি যদি অভিজ্ঞতা অর্জন করতে চান তাহলে অন্য বড় খামারে যেতে পারেন সেখানে সময় দিতে পারেন এবং শিখতে পারেন। কিভাবে ছাগল লালন পালন করা যায়।এক সময় এই ছাগলের খামারটি পার্ট টাইম ব্যবসার হিসাবে আপনার অনেক লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।খাবারের জন্য কিছু বিষয় তুলে ধরল...

1। কি ধরনের ছাগল নির্বাচন করবেন .
আপনি যদি চান  আপনি দুধের জন্য খামার করবেন সে  ক্ষেত্রে । আপনি কি ছাগল নিতে পারেন [যেমন, বন্দর কপাল ,বয়ান ,বুয়ান। এবং আপনি যদি চান আপনি মাংস দুধ সব থেকেই আয় করতে চান এরকম ছাগল যদি আপনি চান সে ক্ষেত্রে লাভজনক জাত হলো। ব্লাক বেঙ্গল ছাগল, এটির মাংস খুব ভালো এবং এরা একসাথে ২  থেকে ৩ টি বাচ্চা দিয়ে থাকে।

ছাগলের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা খুবই জরুরী । 
আপনি যেখানে খামাটি নির্বাচন করবেন স্থানটি উঁচু জায়গাতে এবং শুকনো জাগাতে থাকতে হবে ৫ থেকে ১০ বর্গফুট অতি ছাগলের জন্য। পরিচ্ছন্ন ও বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। নিরাপদ ও শুকনো ঘর যেখানে বৃষ্টির পানি বা চরম গরম এবং চরম ঠান্ডা যেন না হ...

দেখুন পার্টটাইম হিসাবে ছাগলের খামারটি আপনাকে অনেক উপকৃত করবে। এখান থেকে অনেক সুবিধা আপনারা পেয়ে থাকবেন যেমন আপনার ফ্যামিলির লোকজন দিয়েও আপনি এই খামারটি পরিচর্যা করতে পারবেন। আপনারা চেষ্টা করবেন ছাগলটিকে বাহিরের খাবার খাওয়াতে । গ্রামে খোলামেলা জায়গা বিল অনেক চেষ্টা করবেন ছেড়ে দিয়ে রাখতে।

 গ্রামে হাড্ডি গরুর খামার করে ব্যবসা। 

আপনি যদি গ্রামে পার্ট টাইম কিছু করতে চান। তাহলে গ্রামে একটি হাড্ডি গরুর খামার দেন। এতে অনেক পরিমাণ লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আপনি যদি হাড্ডি গরুর খামার দেন আপনাকে বাজার যাচাই করতে হবে। আপনাকে গরু চিনতে হবে কোন জাতের হাড্ডি গরু আপনি নিবেন। হাড্ডি গরুর খামার দিতে হলে কিছু জিনিসের সাথে আপনার পরিচিত থাকতে হবে।

আপনাকে আগে হাড্ডি গরু চিনতে হবে এবং আপনার অনেক বাজার পরিদর্শন করতে হবে। অনেক খামার পরিদর্শন করতে হবে যে খামারে হাড্ডি গরু বেশি লালন পালন করা হয় ওই খামারগুলোতে ভিজিট করবেন বেশি। প্রোজেক্ট করবেন ৩ থেকে ৪ মাস। এই সময় আপনি আপনার গরুকে ঠিকমতো পরই চর্চা এবং রোগবালা থেকে মুক্ত রাখতে ।


বাংলাদেশ মাংস এর চাহিদা অনেক। এবং গ্রামে এই মাংস চাহিদা অনেক থাকে। গ্রামে এই খামারটি করলে অনেক সুবিধা আপনি পেয়ে থাকবেন যেমন ফাঁকা জায়গা খোলা বিল এবং ঘাস। আপনি ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকার মধ্যে গরু কিনবেন । তিন মাস এর পরিচর্যা করবেন তাহলে আপনি তিন মাস পর এই গরু ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা বেচতে পারবেন।

 গ্রামে মুরগির খামার করে ব্যবসা। 

গ্রামের মানুষের মাংসর চাহিদা অনেক পরিমান থাকে। এবং ডিমের চাহিদা ও থাকে এই দুইটি জিনিস এবং এই চাহিদাগুলো পূরণ করতে মুরগির খামারের বিকল্প কিছু হতে পারে না। শুধু গ্রামে না এই মুরগির মাংস মুরগি এবং ডিম আপনি শহরেও বিক্রয় করতে পারবেন। এবং এর চাহিদা থাকে অনেক আপনি যদি পার্টটাইম গ্রামে কিছু করতে চান তাহলে করতে পারেন।

আপনাকে আগে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আপনি কি মুরগি  পালন করবেন। মানুষের কি চাহিদা পূরণ করতে পারবে আপনি যদি বলেন শুধু ডিম তাহলে কি মুরগি লালন পালন করবেন। এবং যদি আপনি বলেন মাংস উৎপাদন করবেন তাহলে কি মুরগি লালন পালন করবেন। আমি আপনাকে কিছু আইডিয়া দিচ্ছি কি কি মুরগি পালন করতে পারবেন।

আপনি যদি গ্রামের মানুষের এবং শহরের মানুষের ডিমের চাহিদা পূরণ করতে চান তাহলে ।সোনালি, মুরগি পালন করতে পারেন/যদি আপনার বাজেট পরিকল্পনা বড় থাকে সেক্ষেত্রে আপনি সোনালি মুরগির পালন করতে পারেন আবার আপনি যদি মনে করেন মাংস চাহিদা পূরণ করবেন সে ক্ষেত্রে ব্রয়লার মুরগি পালন করতে পারে।

আরো পোড়ন ঃ
 প্রথমত আপনার অভিজ্ঞতা আপনার কোন মুরগির প্রতি । আপনার অভিজ্ঞতা আছে এমন একটি মুরগি।পালন করতে পারেন। আপনার যদি অভিজ্ঞতা কম থাকে তাহলে আপনি অনেক খামার ভিজিট করতে পারেন এবং নতুন হিসেবে অল্প কিছু দিয়ে শুরু করতে পারেন পোল্টি দিয়ে শুরু করতে পারেন এতে মাংসের চাহিদা পূরণ করতে পারবেন কম খরচে অনেক লাভবান হতে পারে।

গ্রামে হাঁস পালন করে ব্যবসা। 


অল্প পুজিতে হাঁস পালন করতে পারলে এখান থেকে সফল হওয়া যায়। এই হাঁস পালনটি শুরু হয় গ্রামের ধান কাটার পর থেকে। আপনি যদি এই সময়টুকু কাজে লাগাতে চান। এবং গ্রামে যদি আপনি পার্ট টাইম ব্যবসা করতে চান তাহলে ওই সময়টুকু হাঁস লালন-পালন করুন। গ্রামের হাঁসের মাংসের  চাহিদা অনেক থাকে।

গ্রামে পার্ট টাইম ব্যবসার আইডিয়া

প্রথমে আপনি দেশি হাঁস দিয়ে শুরু করবেন। আপনি প্রথমে ১০০ টা হাঁস বাজার থেকে কিনে নিয়ে আসবেন। দেশি হাঁসের মাংস বাজারে গ্রামে শহরে শহরে ব্যাপক চাহিদা থাকে। এতে করে নিজের বাসার চাহিদাও পূরণ হয় গ্রামের মানুষের চাহিদাও পূরণ করা সম্ভব। আবার এখান থেকে অনেক লাভবান হওয়া সম্ভব ।

গ্রামে বেকার না থেকে এই সময়টুকু যদি আমরা কাজে লাগিয়ে। আমাদের নিজের চাহিদায় এবং ফ্যামিলির চাহিদা যদি পূরণ করতে পারি এর থেকে ভালো আর কি হতে পারে আপনি যদি হাঁস পালন করতে যদি কোন সমস্যা হয়।ইউটিউবে এর অনেক আইডিয়া আপনি দেখে নিতে পারেন। না হলে অনেক হাঁসের খামার ভিজিট করতে পারেন।


দেখুন শুধু হাঁসের মাংস না হাঁসের ডিমের চাহিদা ও গ্রামের প্রচুর পরিমাণে থাকে। আপনি যদি ঠিকমতো শুরু করতে পারেন । এবং ধীরে ধীরে আপনি একটা খামার দিবেন। আপনি এখান থেকে অনেক ছবি দেওয়া পাবেন এক নম্বরে । বিনে অধিকাংশ সময় এই হাঁসগুলো বাহিরে যেসব খাবার খাবে যেমন ধান শামুক আরো অনেক কীটপতঙ্গ ইত্যাদি।

 গ্রামের পুকুরে মাছ চাষ করে ব্যবসা। 

গ্রামে মাছ চাষ করে অনেকেই সফলতা পেয়েছে। আপনি যদি চান আপনিও সফলতা অর্জন করতে পারবেন। গ্রামের মানুষের সবার মাংস কেনার সমর্থ্য নাও থাকতে পারে কিন্তু মাছ কেনার সমর্থ্য আছে । আপনি যদি সঠিক নিয়মে মাছ চাষ শুরু করেন তাহলে আর আপনাকে চাকরির পিছনে ছুড়তে হবে না শুধু আপনাকে একটু অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে ।

আপনাকে পুকুর নির্বাচন করতে হবে। এবং কি মাস ছাড়বেন ওইটাও নির্বাচন করতে হবে। তবে আমি বলব আপনি তিন রকমের মাছ চাষ করতে পারবেন এতে অনেক লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি [যেমন রুই কাতলা এবং আপনি যদি চান একটা কুকুরের মধ্যেই তেলাপোয়া কই এই দুইটি মাছ পালন করতে পারেন এতে অনেক পরিমাণ লাভবান হবেন।

আরেকটি আইডিয়া দিলাম । মানুষ ইদানিং পাঙ্গাস মাছ পালন করা ছেড়েই দিয়েছে বলতে গেলে এটি বাজারে খুব কম চলার কারণে মানুষ এই পাঙ্গাস মাছটি পালন করতে চায় না। আর আপনি যদি এই মাসটি ঠিকমতো উৎপাদন করতে পারেন এই মাস থেকে অনেক লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি এই মাছটি খুব দ্রুত বড় এবং এই মাছের হয় ওজন খুব দ্রুত বাড়ে।


আপনি যদি মাছের অনেক খামার ভিজিট করে থাকেন তাহলে আপনি বড় পরিসরে শুরু করতে পারেন। আর যদি আপনি মনে করেন ছোটপরিসারে শুরু করবেন তাহলে এটি অনেক ভালো আইডিয়া হতে পারে এর থেকে আপনি অনেক সফলতা অর্জন করতে পারবেন। আর আপনার যদি নিজের কুকুর থাকে সেক্ষেত্রে আপনার খরচ অনেকটা কম হবে।

গ্রামের চিরচেনা মুদির দোকানের ব্যবসা। 

গ্রামে মুদিখানার দোকাননের প্রয়োজনীয়তা সীমাহীন। মানুষের নিত্য দিনের প্রয়োজনীয়ত জিনিস এই মুদিখানার দোকানে পাওয়া যায়। আপনার প্রতিদিনের যে চাহিদা প্রয়োজনীয়তা সবকিছুই এই মুদিখানার দোকানেই থাকে। এইজন্য আপনি প্রধান বাজার নির্বাচন করুন আপনার দোকান দেওয়ার জন্য দুই তিন গ্রামের মানুষ যেন ওই বাজারে প্রতিনিয়তই আসে। 

আপনি এমন একটা স্থানে এই মুদিখানার দোকানটি দিন যেখানে। অনেক গ্রাম এবং অনেক বসতি রয়েছে আশেপাশে কোন বড় দোকান নেই। তাদেরকে আসতে হলে ওই বাজারেই আসতে হয় এরকম জায়গা দেখে নির্বাচন করে আপনার দোকান দিন । একটা মুদিখানা দোকানে যা যা থাকা প্রয়োজন সবটুকু রাখার চেষ্টা করবেন মানুষের চাহিদা অনুযায়ী।

কি রাখবেনঃ

চাল ডাল পিঁয়াজ কাচা মরিচ লবণ পিঁয়াজ আল মশলা ইত্যাদি। সাথে কিছু বাচ্চাদের আইটেমও রাখার চেষ্টা করবেন যেমন[চকলেট আইসক্রিম পটেটো এবং মুখরোচক খাবার। এগুলোর বাচ্চাকে দেখি আকৃষ্ট করে।
আর একটা কথা আপনাকে সব সময় হাসিমুখে থাকতে হবে। যেন কাজটা বন্ধ আছে আপনার থেকে ভালো ব্যবহার পাই আপনিও তাদের সাথে ভালো ব্যবহার করবেন। 

আরো পড়ুন : মুদির দোকানে কাস্টমার আনার উপায় 
সর্বপ্রথম আপনি চাইবেন।, গ্রামের বাড়িতে যেসব নৃত্য প্রয়োজনে জিনিসগুলো প্রতিদিন লাগে এই জিনিসগুলো সব রাখার জন্য। প্রথমে একটু লাভ কম হলো আপনি ফোন দিবেন পরবর্তী সময়ে আপনার লাবংশ অনেক দূরে যাবে গ্রামে পার্টটাইম ব্যবসা হিসেবে এটি অনেক কার্যকারিতা। মানুষ যতদিন রান্না করেছে খাবে কতদিন এই মুদিখানার দোকান আমাদের প্রয়োজন লাগবে। 

শেষ কথা :লেখকের মন্তব্য 

দেখেন বন্ধুরা আমি একটা গ্রামের ছেলে। ছোট থেকে গ্রামে বড় হয়েছে এবং আমি দেখেছি মানুষ কত রকমের ব্যবসা করেছে। অনেকেই সফলতা অর্জন করেছে আবার একটু ভুলের জন্য অনেকের অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেছে। এইজন্য আমি বলব বন্ধুরা আপনারা যে কাজটাই গ্রামের করবেন। আপনারা যে কাজটাই করবেন যে ব্যবসাটাই করবেন প্রশিক্ষণ নিয়ে করবেন। 

তবে আমার জানামতে আমি যে জিনিসগুলো সফলতা পেয়েছি। তারমধ্যে ছাগল পালন করা। আর হাস পালন করা এই দুটোতে আমি খুব ভালো উপার্জন করতে পেরেছি। চাইলে আপনারাও করতে পারেন ছাগলের প্রচুর পরিমাণ ইনকাম করা সম্ভব। আপনি বেকার না থেকে কিছু একটা কাজ শুরু করুন। এই কাজে আপনাকে একদিন সফলতা এনে দেবে। 

শেষ করার আগে একটা কথা বলি প্রিয় বন্ধুরা। আপনারা বেকার না ঘুরে অল্প কিছু দিয়ে গ্রামে কিছু একটা শুরু করুন। শুধু মনকে বুঝান আপনি পারবেন। গ্রামে যে কোন বিজনেস করতে গেলে আপনি আপনার ফ্যামিলির সাপোর্ট পাবেন এই সুযোগটুকুই আপনারা কাজে লাগান কিছু একটা ব্যবসা শুরু করুন ইনশাআল্লাহ আপনাদের সফলতা আসবে। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ওয়ান ক্লিকই নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url